মাদারীপুরে বসতঘরে আগুন দিয়ে শাশুড়িকে পুড়িয়ে হত্যার চেস্টায় থানা অভিযোগ

0
4

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বামী ও শাশুড়ীর সাথে মিল না থাকায় রাতের আধাঁরে শাশুড়ীকে ঘরে মধ্যে রেখে বসতঘরে আগুন দিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৩জনের নাম উল্লেখ করে বুধবার সকালে থানা অভিযোগ করেছে শাশুড়ী নাজমা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার পর্বতবাগান এলাকায় নতুন বাড়ী করা আবুল হোসেনের বাড়ীতে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় রুবেলের মা নাজমা ও রুবেল একসাথে বাড়ীতে যাওয়ার সময় পর্বতবাগান এলাকায় আসলে কয়েকজন আসামী এলোপাতারি মারপিট করতে থাকলে জীবন বাচাঁতে পাশের বাড়ীতে লুকিয়ে থাকে কিন্ত তাদের মারার জন্য বাহিরে বিভিন্ন আসামীরা দেশী অস্ত্র নিয়ে বাহির ঘুরতে থাকে তখন ৯৯৯ কল করে সাহয্য চাইলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। এবং রুবেলের নামে একটি মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এরপর থেকেই নাজমা ও তার পরিবারকে মেরে ফেলার জন্য সময় খুজঁতে থাকে কিন্ত ভয় থাকায় পাশের বাড়ীর আরও দুইজনকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে থাকলে সোমবার(২ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে বসতঘরের চারদিকে কেরোসিন দিয়ে ঘরের সামনে থেকে বন্ধ করে দরজার সামনে চালে আগুন দিয়ে হত্যার চেস্টা করা হয়। এব্যাপারে মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বুধবার সকালে মামলা নেয়।

নাজমা বেগম জানান, গত একবছর আগে আমার ছেলে সাথে পাশের গ্রামের মজিবর সরদারের মেয়ে মরিয়মের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে এরপর থেকেই আমার সম্পত্তির উপর তার লোভ তৈরি হয়। এক পর্যায় আমার ছেলের কাছ থেকে চলে যায় এবং সে জানায় বাড়ীসহ সকল জমি তার নামে লিখে দিলে আমার ছেলের সংসার করবে তাছাড়া করবে না। আমি যতটুকু জানি মেয়ের অন্য ছেলের সাথে কথা বলে। আর আমি জমি লিখে দেবো না বলেই আজ আমাকে আমার মেয়েকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরে ফেলতে চেয়েছে।

পাশের বাড়ীর নুরজাহান জানান, নাজমা বেগম ভয় পায় তাই আমি ও আমার ছোট ছেলেকে নিয়ে তার ঘরে রাতে ঘুমিয়ে থাকি কিন্ত গভির রাতে দেখি ঘরে চারপাশে আগুন তখন বের হতে গেল দেখি বাহির থেকে আটকানো রয়েছে পরে আমাদের চিৎকারে পাশের বাড়ীর লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তার মানুষ রুপে পশু। এদের কঠিন বিচার হওয়া উচিত।

প্রতিবেশী ইশ্রাফিল জানায় , নাজমা বেগম এই এলাকায় নতুন জমি কিনে গত ৪-৫বছর যাবত বাড়ী করছে তার সবাই ভাল কিন্ত যাদের সাথে আত্মীয় করছে তারা মনে হয় ভাল না। তানা হলে একবার ছেলেকে আটকিয়ে রাখে আবার নিজের শাশুড়িকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারতে চায়।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. সওগাতুল আলম জানান, আগুনের ঘটনা সত্যতা পাওয়া গেছে তবে কারা করছে সেটা এখন আমাদের তদন্ত চলছে। আমাদের কাছে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষ হলে আমরা মামলার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here